আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। এই পরিস্থিতিতে শনিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বন্দর খালি করতে ইরান সতর্কবার্তা জারি করেছে।
এই তালিকায় মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক বন্দর জেবেল আলিও রয়েছে। প্রথমবারের মতো ইরান প্রতিবেশী কোনো দেশের অ-মার্কিন স্থাপনায় সরাসরি হামলার হুমকি দিল। খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলার পেছনে আমিরাতের মাটি ব্যবহৃত হয়েছে বলে ইরান অভিযোগ করেছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন বন্দর ও ডক ব্যবহার করে ইরানি ভূখণ্ডে হামলা চালাচ্ছে। তবে এই দাবির সপক্ষে তারা সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ পেশ করেনি।
ইরান জানিয়েছে, যেসব এলাকায় মার্কিন সেনারা অবস্থান করছে বা যেসব স্থাপনা তারা ব্যবহার করছে, সেখান থেকে সাধারণ মানুষ যেন দ্রুত সরে যায়। এই হুমকির পর দুবাইয়ের জেবেল আলী বা আবুধাবির খলিফা বন্দরে সরাসরি হামলার খবর না পাওয়া গেলেও ফুজাইরা বন্দরে একটি আগুনের ঘটনা ঘটেছে। সেখানে একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার পর তার ধ্বংসাবশেষ থেকে একটি তেল শোধনাগারে আগুন লাগে বলে জানা গেছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগঘচি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, খারগ দ্বীপ এবং আবু মুসা দ্বীপে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র রাস আল-খাইমাহ এবং দুবাইয়ের খুব কাছের এলাকা থেকে স্বল্পপাল্লার কামান ব্যবহার করেছে। তিনি এই ঘটনাকে অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আরাঘচি আরও বলেন যে, ইরান চেষ্টা করবে যাতে দুবাই বা আমিরাতের জনবহুল এলাকায় কোনো প্রাণহানি না ঘটে। তবে যুদ্ধের এই পর্যায়ে এসে ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর ড্রোন ও মিসাইল হামলার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও ইরান বলছে তাদের মূল লক্ষ্য কেবল মার্কিন সম্পদ, কিন্তু এরই মধ্যে বেশ কিছু বেসামরিক বিমানবন্দর ও তেলক্ষেত্রে হামলার খবর পাওয়া গেছে।
সূত্র: আল জাজিরা































