দেশবার্তা ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১টি অত্যাধুনিক নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ চুক্তি সই হয়। বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি উইলিয়াম কিমিট, বোয়িং গ্লোবালের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসন, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফানি পোপসহ দুই প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রুমী এ হোসেন বলেন, ‘নতুন এ চুক্তি বিমানের বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বহর পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনের আলোকে এ ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিনের কার্যকর ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্কের কারণে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ সরবরাহ ও পরবর্তী সহায়তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিমানের আস্থা রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা হিসেবে দেশের জনগণ, প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগের চাহিদা পূরণে বিমানের নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ চলছে। দেশের আন্তর্জাতিক আকাশ যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ চুক্তি করা হয়েছে।’
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, নতুন এ চুক্তির ফলে দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন কর্মসূচি আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি বিমানের পরিচালন সক্ষমতা, নমনীয়তা ও দক্ষতা বাড়বে। বিদ্যমান বোয়িং বহরের সঙ্গে সামঞ্জস্য ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেও নতুন উড়োজাহাজগুলো সহায়ক হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশের আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ এবং জাতীয় বিমান পরিবহন সক্ষমতা জোরদারের লক্ষ্যে আধুনিক, দক্ষ ও বাণিজ্যিকভাবে টেকসই বহর গড়ে তুলতে কাজ করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
জাতীয় অগ্রাধিকার, প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধান এবং বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতের পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভবিষ্যতেও বিমানের বহর ও নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে।






























