দেশবার্তা ঢাকা: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোড ৭ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে। এটি হবে দেশের পরামাণু বিদ্যুৎ কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। জুন থেকে জুলাই মাসের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে এ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের একটি ইউনিট ডিসেম্বরের মধ্যে পূর্ণ ক্ষমতায় ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার গ্রিগোরিভিচ খোজিনের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিসহ বৃহত্তর জ্বালানি খাতে রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা খোঁজা হচ্ছে। তবে এই উদ্যোগটি কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, বিশেষ করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে সম্পর্কিত। তিনি বলেন, আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ছাড়পত্রের অপেক্ষায় আছি। রাশিয়া বিশ্ব জ্বালানি বাজারে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা করার আগ্রহ দেখিয়েছে। জ্বালানি খাতে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। আমরা কীভাবে এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে পারি তা পরীক্ষা করে দেখছি।
মন্ত্রী বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশ-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং জ্বালানি সরবরাহে সহযোগিতা সম্প্রসারণের উপায় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির জন্য জ্বালানি ও বিদ্যুতের স্থিতিশীল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার জ্বালানি উৎসে বৈচিত্র্য আনতে কাজ করছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে শক্তিশালী আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করতে সাহায্য করবে।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ নিরাপত্তা দেশের জন্য একটি প্রধান উদ্বেগের বিষয়। এজন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন জোরদার এবং জাতীয় গ্রিডে নতুন সক্ষমতা যোগ করা প্রয়োাজন। আমাদের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার হলো উৎপাদনে যাওয়া এবং গ্রিডে যোগ করা যেতে পারে এমন পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিত করা।































