আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ নতুন সরকার গঠনের লক্ষ্যে ভোট দিচ্ছে থাইল্যান্ডের জনগণ। আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় দেশজুড়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। একইসঙ্গে সংবিধান সংশোধন নিয়ে গণভোটও অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
গত দুই বছরে তিনবার প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে মুখোমুখি হয়েছে গতবার সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়া জনপ্রিয় সংস্কারপন্থি দল এবং শেষ পর্যন্ত সরকার গঠন করা রক্ষণশীল শিবির। কারাগারে থাকা সাবেক নেতা থাকসিন সিনাওয়াত্রাও এখনও দেশটির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব বিস্তার করছেন বলে মনে করা হয়।
নির্ধারিত সময়ের আগেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচন হয়েছিল ২০২৩ সালে, যেখানে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের চার বছর দায়িত্বে থাকার কথা ছিল। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়ায় চার বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই নতুন ভোট আয়োজন করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে ৫০০ জন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবেন। এর মধ্যে ৪০০ জন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন এবং বাকি ১০০টি আসন দলীয় তালিকার ভিত্তিতে বরাদ্দ দেওয়া হবে।
থাইল্যান্ডের নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৯ এপ্রিলের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করা হবে। এরপর ১৫ দিনের মধ্যে নতুন সংসদ স্পিকার নির্বাচন করবে এবং পরবর্তী ধাপে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন।
গত ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে নির্বাচন কমিশন ভোটের তারিখ ঘোষণা করে। তার এক সপ্তাহ আগে প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল সংসদ ভেঙে দেওয়ায় নির্ধারিত সময়ের আগেই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আনুতিন ২০২৩ সালের আগস্টের পর থেকে দেশটির তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সূত্র: বিবিসি































