দেশবার্তা ডেস্কঃ সরকারি-বেসরকারি দলের অংশগ্রহণে সংসদের প্রথম অধিবেশন ছিল প্রাণবন্ত। দীর্ঘ বিরতির পর রোববার থেকে ফের সরগরম হচ্ছে সংসদ প্রাঙ্গণ। বাজেট অধিবেশন হওয়ায় সরকারি দলের ওপর চাপের পাল্লা ভারী। বিরোধীদলও রাখছে তীক্ষ্ণ নজর। বাজেটে মাফিয়াতন্ত্রের ছায়া দেখতে চান না তারা।
এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেন, মাফিয়াগোষ্ঠী বেশি অগ্রাধিকার পায়। আমাদের বাজেটের এটা হচ্ছে কালচার। তো আমরা আসলে এই কালচার থেকে বেরোতে চাই। আমরা বাজেটে যেটা দেখতে চাইব যে, শিক্ষাখাত, স্বাস্থ্য খাত এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির যে প্রক্রিয়া সেখানে আসলে সরকারের ভর্তুকির অনেক বেশি প্রয়োজন।
জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সামাজিক সুরক্ষার ক্ষেত্রেও সরকারের অগ্রাধিকার দেয়া উচিত। কিন্তু অগ্রাধিকার দিতে গিয়ে যেন আবার শুভঙ্করের ফাঁকি না হয়।
একই সঙ্গে গণভোটের রায় বাস্তবায়নে আবারও মাঠে নামছে ১১ দলীয় জোট। আগামী দুই মাস চলবে বিভাগীয় সমাবেশ।
হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, সিভিল সোসাইটি কথা বলছে। রাজনৈতিক দল কথা বলছে। পার্লামেন্টেও হচ্ছে পার্লামেন্টের বাইরেও হচ্ছে। কিন্তু সরকার হচ্ছে জেগে ঘুমায়। আমাদের যে ১১ দল আছে, আমরা রাজপথের প্রোগ্রাম দুই পর্বে শেষ করে তৃতীয় পর্বে আমরা বিভাগীয় সমাবেশ করছি। চট্টগ্রামে সমাবেশ হবে, ২০ জুন খুলনা ও ২৭ জুন ময়মনসিংহে। এভাবে ধারাবাহিকভাবে সব বিভাগীয় শহরে আমাদের প্রোগ্রাম দেয়া আছে।
এদিকে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা বলছেন, গতানুগতিক কর্মসূচিতে সাড়া দেবে না জনগণ।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমি বলব তাদেরকে এমন কিছু সৃষ্টিশীল কর্মসূচি দিতে হবে, যাতে জনগণ মনে করে আসলেই তারা ভিন্নধর্মী। কিন্তু গতানুগতিকতার আবর্তে মধ্যে যদি তারা থাকে, তাহলে এগুলো মানুষ গ্রহণ করবে না।
অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণই এবারের বাজেটের মূল দর্শন বলছেন বিএনপি নেতারা।































