আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে এখনই কোনো সামরিক পদক্ষেপের প্রয়োজন হতে পারে না এবং তিনি আশা করেন, যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ব্যবহার করতে হবে না। বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন।
তিনি জানান, তার প্রশাসন ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি এবং কূটনৈতিক সমাধানের জন্যও আগ্রহী। ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে বিষয়টি আলোচনা করেছি এবং পরিকল্পনা আছে। আমাদের বিশাল ও শক্তিশালী রণতরী ইরানের দিকে যাচ্ছে, তবে যদি ব্যবহার না করতে হয়, তাতে আমি সন্তুষ্ট।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথও স্পষ্ট করেছেন, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা রুখতে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। তবে তারা এখনো বিভিন্ন বিকল্প পদ্ধতি পুনর্বিবেচনায় রেখেছে।
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র আরও একটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, গত ৪৮ ঘণ্টায় ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস ডেলবার্ট ডি. ব্ল্যাক অঞ্চলে প্রবেশ করেছে। বর্তমানে সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের মোট ছয়টি ডেস্ট্রয়ার, একটি বিমানবাহী রণতরী এবং তিনটি লিটোরাল কমব্যাট শিপ মোতায়েন রয়েছে।
ইরানও যেকোনো সামরিক পরিস্থিতির জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুতি জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নায়েনি জানান, প্রতিপক্ষের সম্ভাব্য হামলা ও শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড মোকাবিলার জন্য বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে।
সংঘাত নিরসনে আঞ্চলিক কূটনীতিক তৎপরতা চলছে। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান ভুল সিদ্ধান্ত হবে। শুক্রবার আঙ্কারায় সফর করছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, যা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সমাধানের উদ্যোগ হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরাইল































